Skip to Content
  • Follow us
  • +91 9831498860
51KALIBARI | Astrologer Joydev Sastri Official Website
  • Sign in
  • বাংলা English (IN)

  • Book Appointment
  • Home
  • 51 KALIBARI
  • Gallery
  • Book Appointment
  • Astrology AI
  • Posts
  • Horoscope
  • Free Remedies
  • Shop
  • OUR SERVICES
    • Services
    • Pricing
    • About Us
    • Contact us
  • Tools
    • Numerology Calculator
    • Mobile Number Numerology Calculator
    • Personalized Horoscope Checker
    • Kundli
  • Numerology
51KALIBARI | Astrologer Joydev Sastri Official Website
      • Home
      • 51 KALIBARI
      • Gallery
      • Book Appointment
      • Astrology AI
      • Posts
      • Horoscope
      • Free Remedies
      • Shop
      • OUR SERVICES
        • Services
        • Pricing
        • About Us
        • Contact us
      • Tools
        • Numerology Calculator
        • Mobile Number Numerology Calculator
        • Personalized Horoscope Checker
        • Kundli
      • Numerology
    • +91 9831498860
    • Follow us
    • বাংলা English (IN)
    • Sign in

    • Book Appointment
  • জ্যোতিষ পত্রিকা ( Jyotish Patrika )
  • দশমহাবিদ্যার প্রথমা দেবী কালী সম্পর্কে এক অত্যন্ত বিস্তারিত, পূর্ণাঙ্গ ও গভীর আলোচনা
  • দশমহাবিদ্যার প্রথমা দেবী কালী সম্পর্কে এক অত্যন্ত বিস্তারিত, পূর্ণাঙ্গ ও গভীর আলোচনা

    কালী (Kali) – মহাকালের শক্তি, অন্ধকারের আলো
    30 May 2026 by
    দশমহাবিদ্যার প্রথমা দেবী কালী সম্পর্কে এক অত্যন্ত বিস্তারিত, পূর্ণাঙ্গ ও গভীর আলোচনা
    Joydev Sastri

    ১. কালী (Kali) – মহাকালের শক্তি, অন্ধকারের আলো

    🔸 অর্থ ও নামতত্ত্ব: কাল যাঁর গ্রাসে

    ‘কাল’ সংস্কৃত ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ সময়, গণনা, পরিমাপ। আবার ‘কাল’ অর্থ মৃত্যু, ধ্বংস, শেষ। যিনি এই কাল বা সময়ের অধীশ্বরী, যিনি সময়ের স্রোতকে নিজ ইচ্ছায় চালনা করেন, সময়কে গ্রাস করেন এবং আবার সময়ের জন্ম দেন—তিনিই কালী। স্ত্রীলিঙ্গে ‘কালী’ বলতে বোঝায় যিনি স্বয়ং কালেরও অন্তকারিণী, অর্থাৎ মৃত্যুকেও যিনি মৃত্যু দিতে পারেন। তাই কালী হলেন মহাকালী—সৃষ্টির সেই ভয়ংকরী রূপ, যেখানে স্থিতি বা সৃষ্টির লেশমাত্র নেই, শুধুই অনন্ত মহাশূন্য।

    অন্যদিকে ‘কালী’ শব্দের অর্থ কৃষ্ণবর্ণা। এই কৃষ্ণবর্ণ কোনো সাধারণ কালো নয়, এটি মহাপ্রলয়ের গাঢ় অন্ধকার, যেখানে সমস্ত রং, আলো, রূপ, নাম বিলীন হয়ে যায়। পদার্থবিজ্ঞানে যেমন ‘ব্ল্যাক হোল’ সমস্ত আলো শুষে নেয়, তেমনি কালী সমস্ত সৃষ্টিকে নিজের মধ্যে বিলীন করে নেন। এইজন্য তন্ত্র বলে, “কালী হৈমবতী কৃষ্ণা”—অর্থাৎ হিমালয়কন্যা কালী কৃষ্ণবর্ণা, যা পরম জ্ঞানের প্রতীক। তিনিই পরব্রহ্মের সেই দশা, যেখানে সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়ের ত্রিপদীও অতিক্রান্ত।

    🔸 পৌরাণিক উৎপত্তি: কীভাবে এলেন মা কালী?

    কালীর উৎপত্তি নিয়ে মূলত দুটি প্রধান পৌরাণিক কাহিনী প্রচলিত আছে। একটি হলো দক্ষযজ্ঞের কাহিনী, যা দশমহাবিদ্যার উৎপত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত (আগের পর্বে আলোচিত)। সেখানে সতীর ক্রোধ থেকে কালীর জন্ম। অপর কাহিনীটি আরও সমৃদ্ধ ও ভয়ংকর—রক্তবীজ বধের কাহিনী, যেখানে দেবী দুর্গার ললাট থেকে কালী আবির্ভূতা হয়েছিলেন।

    কাহিনী: রক্তবীজ বধ ও কালীর উৎপত্তি

    মার্কণ্ডেয় পুরাণের দুর্গা সপ্তশতী (শ্রীশ্রীচণ্ডী)-তে এই কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। একদা শুম্ভ ও নিশুম্ভ নামে দুই দৈত্যরাজা স্বর্গ দখল করে এবং দেবতাদের বিতাড়িত করে। দেবতারা হিমালয়ে গিয়ে দেবী দুর্গার স্তব করেন। দেবী তখন অম্বিকা রূপে আবির্ভূতা হন। শুম্ভ-নিশুম্ভের দূত চণ্ড-মুণ্ড তাঁকে দেখে যায় এবং নিজ প্রভুকে বলে, এমন সুন্দরী নারীকে বিবাহ করতে। দেবী প্রত্যাখ্যান করলে শুম্ভ-নিশুম্ভ প্রথমে ধূম্রলোচন, তারপর চণ্ড-মুণ্ডকে সৈন্যসহ পাঠায়।

    দেবী অম্বিকা তখন ক্রুদ্ধা হন। চণ্ড-মুণ্ডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে গিয়ে দেবী দেখেন, এক অসুর আছে রক্তবীজ। বরপ্রাপ্ত এই অসুরের রক্তের প্রতিটি ফোঁটা মাটিতে পড়লেই তা থেকে আরেকটি রক্তবীজের সৃষ্টি হয়। ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে এক রক্তবীজ থেকে হাজার হাজার রক্তবীজ সৃষ্টি হতে থাকে। দেবী দুর্গা তখন নিজের ললাট (কপাল) থেকে এক তেজোময়ী দেবীকে সৃষ্টি করলেন। তিনি কৃষ্ণবর্ণা, ভীষণদর্শনা, লোলজিহ্বা, মুক্তকেশী, হাতে খড়্গ ও খর্পর (মুণ্ড কাটার পাত্র)। ইনি কালী নামে পরিচিতা হলেন। তিনিই চামুণ্ডা (চণ্ড ও মুণ্ডের বিনাশকারিণী)।

    কালী রক্তবীজের রক্ত মাটিতে পড়তে দিলেন না। রক্তবীজের শরীর থেকে যখনই রক্ত নির্গত হতো, কালী তাঁর বিশাল জিহ্বা বিছিয়ে দিয়ে সেই রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই পান করে নিতেন। এভাবে রক্তবীজের শক্তি শেষ হয়ে গেলে, দেবী অম্বিকা তাকে বধ করেন। এই কাহিনী কালীর রক্তপান ও লোলজিহ্বার সবচেয়ে প্রচলিত ব্যাখ্যা।

    দ্বিতীয় কাহিনী: শিববুকে পদ ও জিহ্বা বের

    রক্তবীজ বধের পর কালীর ক্রোধ ও রক্তপিপাসা থামছিল না। তিনি উন্মত্তের মতো নৃত্য শুরু করলেন। এই তাণ্ডব এত ভয়ংকর ছিল যে স্বর্গ-মর্ত্য-পাতাল কেঁপে উঠল। দেবতারা শিবের শরণাপন্ন হলেন। তখন শিব শব রূপ ধারণ করে কালীর পথে শুয়ে পড়লেন। কালী নাচতে নাচতে যখন শিবের বুকে পা দিলেন, তখন তিনি হঠাৎ থেমে গেলেন। স্বামীর বুকে পা দেওয়ার লজ্জায় তিনি জিহ্বা বের করে ফেললেন। সেই থেকে কালীর এই রূপ—শিবের বুকে দণ্ডায়মান, নির্গত জিহ্বা, লজ্জামিশ্রিত ক্রোধহীনতা—সাধকদের ধ্যানে স্থান পায়। এটাই দক্ষিণাকালী রূপের সবচেয়ে পরিচিত কাহিনী।

    🔸 রূপ ও প্রতীক: একটি একটি করে বুঝুন

    কালীর ধ্যানমন্ত্রে বর্ণিত হয়েছে:

    “ধ্যায়েন্মহাকালহিতায়ৈ বাহ্যং শবাসনাং শবযুগ্মশীর্ষীম্…

    …মুণ্ডস্রজং রক্তচিতাম্বরাদ্যাং কৃতস্মিতাং কালবদূং নমামি।”

    এবার আমরা প্রতিটি অঙ্গ ও অলঙ্কারের গূঢ় প্রতীকী অর্থ বিস্তারিতভাবে বুঝব।

    • কৃষ্ণবর্ণ (গাঢ় মেঘের মতো): এটি নির্গুণ ব্রহ্মের প্রতীক। যেখানে কোনো গুণ, রঙ বা রূপ নেই, একমাত্র চৈতন্যই বিরাজ করে। এই কৃষ্ণবর্ণ জীবন-মৃত্যুর ঊর্ধ্বে অসীম শূন্যতার প্রকাশ।

    • মুক্তকেশী: সম্পূর্ণরূপে খোলা, বন্ধনহীন কেশ। এটি সংসারের সকল বন্ধন, সামাজিক নিয়ম, লৌকিক শৃঙ্খলা থেকে মুক্তির প্রতীক। চুলগুলো যেন বিভ্রান্তি ও জ্ঞানের তরঙ্গ, যা মুক্তভাবে প্রবাহিত।

    • ত্রিনয়না (তিনটি চোখ): দুটি চোখ জাগতিক জ্ঞান (সূর্য ও চন্দ্র), আর তৃতীয় নয়ন (ললাটের) হল প্রজ্ঞা-অগ্নি। এই তৃতীয় নয়ন দিয়ে দেবী সমস্ত মায়া ভেদ করে সত্য দেখেন, এবং দুষ্টের দমন করেন।

    • চতুর্ভুজা (চার হাত): চার হাত চার দিক, চার বেদ, চার পুরুষার্থ (ধর্ম, অর্থ, কাম, মোক্ষ)—সবই দেবীর নিয়ন্ত্রণে। বাম হাতে তিনি খড়্গ ধরে আছেন, যা অহংকার ও মোহ ছেদনের অস্ত্র। ডান হাতে অভয়মুদ্রা (ভয় পেও না) ও বরমুদ্রা (যা চাও তাই দেব) দেখিয়ে পরম করুণার পরিচয় দেন। আর একটি বাম হাতে ধরা ছিন্নমস্তক—এটি মিথ্যা পরিচয়, অহংকারী ‘আমি’-র চূড়ান্ত বিনাশ।

    • গলায় নরমুণ্ডের মালা: এটি পঞ্চাশটি (কথান্তরে ৫১টি) মুণ্ড, যা সংস্কৃত বর্ণমালার ৫০টি বর্ণের প্রতীক। এই বর্ণগুলিই সৃষ্টির বীজমন্ত্র। দেবী গলায় পরে বোঝান যে, তিনিই বাক্, বর্ণ ও জ্ঞানের উৎস, এবং তিনিই সমস্ত সৃষ্টির মূলে।

    • কোমরে ছিন্ন হাতের কটিবাস: নরহস্তের এই বেড় কর্মের প্রতীক। সমস্ত ভালো-মন্দ কর্মফল দেবী নিজেই গ্রহণ করে ভক্তকে কর্মমুক্ত করেন। এটি প্রমাণ করে, দেবীর কাছে সমর্পিত হলে কর্ম আর বাঁধতে পারে না।

    • লোলজিহ্বা (নির্গত রক্তজিহ্বা): এটি রজোগুণের প্রতীক, আসক্তি ও প্রাণশক্তির প্রকাশ। আবার এটি সমস্ত দোষ, পাপ ও নেতিবাচকতাকে গ্রাস করার প্রতিজ্ঞাও। জিহ্বার লাল রং ত্যাগ ও রক্তের শক্তিকে ধারণ করে।

    • শিবের বুকে দণ্ডায়মান: শিব শবরূপে, অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় শুদ্ধ চৈতন্য। কালী (প্রকৃতি বা শক্তি) তাঁর উপর দাঁড়িয়ে—এটি প্রলয়ের ছবি, যখন প্রকৃতি চৈতন্যের উপর নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং সৃষ্টি থমকে যায়। এটি এও বোঝায় যে, শিব (পরমাত্মা) স্থির, নিশ্চল; কালীই (শক্তি) জগতের সব গতি ও পরিবর্তনের কারণ।

    • শ্মশানবাসিনী: কালী শ্মশানে অবস্থান করেন, যেখানে সমস্ত অহংকার, রূপ, যৌবন, সম্পদ ভস্ম হয়ে যায়। এটি বৈরাগ্যের চূড়ান্ত পাঠ—মৃত্যুই পরম সত্য, এবং যে এই সত্যকে মেনে নিতে পারে, সেই প্রকৃত মুক্ত।

    🔸 বিভিন্ন রূপ ও প্রকাশ: কালীর বহুমুখী স্বরূপ

    কালী এক নামে এক রূপা নন। তাঁর একাধিক রূপ আছে, যার মধ্যে প্রধান কয়েকটি:

    1. দক্ষিণাকালী: সবচেয়ে জনপ্রিয় ও করুণাময়ী রূপ। এখানে দেবী ডান পা শিবের বুকে, বাম পা শিবের উরুতে। ডান দিক দক্ষিণা, যা মৃত্যুর দিক, অথচ দেবী এখানে পরম কল্যাণময়ী। দক্ষিণাকালীর গায়ে কোনো রক্তমাংসের বিভীষিকা কম, করুণার ভাব বেশি।

    2. শ্মশানকালী: শুধুমাত্র শ্মশানেই পূজিতা। গাঢ় তান্ত্রিক সাধনায় ব্যবহৃত। নির্জন শ্মশানে ইঁর আরাধনা হয়, যেখানে সাধক মৃত্যু ও অমৃতের দ্বন্দ্ব অতিক্রম করেন।

    3. রক্ষাকালী: ভক্তকে বিপদ থেকে রক্ষা করেন। এ রূপে দেবী শিবের বুকে পা না দিয়ে বরং শিব তাঁর হাতে ধরে আছেন। এটি তারিণী রূপ, যেখানে দেবী করুণায় ভরা।

    4. মহাকালী: দশমহাবিদ্যার প্রথমা, মহাপ্রলয়ের দেবী। দশভুজা, নানা অস্ত্রে সজ্জিতা, অত্যুগ্রা। তন্ত্রে এ রূপের প্রচণ্ড আরাধনা হয়।

    5. ভদ্রকালী: সৌম্যা, গৃহস্থের জন্য কল্যাণকারিণী। অপেক্ষাকৃত শান্ত ও সন্তানবৎসলা মূর্তি।

    6. চামুণ্ডা: চণ্ড ও মুণ্ড অসুর বধকারিণী। কঙ্কালমূর্তি, অত্যন্ত ভীষণা।

    🔸 পূজা পদ্ধতি: কীভাবে করবেন কালী আরাধনা?

    কালী পূজা অত্যন্ত শক্তিশালী, কিন্তু তান্ত্রিক বিধান মেনে চলা জরুরি। গৃহস্থের জন্য সাধারণ বিধি এবং তান্ত্রিক সাধকের জন্য গুপ্ত বিধি পৃথক। এখানে গৃহস্থ উপযোগী একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু পূর্ণাঙ্গ পূজা পদ্ধতি দেওয়া হলো। (সাবধানতা: তন্ত্রোক্ত পদ্ধতি গুরুর নির্দেশ ছাড়া করবেন না।)

    প্রয়োজনীয় উপকরণ:

    • কালী মূর্তি বা প্রতিমা (শ্মশানকালীর ক্ষেত্রে পট/যন্ত্র)

    • পঞ্চগব্য (দুধ, দই, ঘি, গোমূত্র, গোবর)

    • লাল জবা বা লাল গোলাপ, লাল চন্দন, সিঁদুর

    • আতপ চাল, বেলপাতা, ধূপ, দীপ, কর্পূর

    • ভোগ: মাছ, মাংস (একান্ত তান্ত্রিকে), ক্ষীর, লুচি-মিষ্টি (সাত্ত্বিকে)

    • মদ (তন্ত্রোক্ত পদ্ধতিতে) — গৃহস্থ পূজায় নারকেল জল বা চা ব্যবহার হয়।

    পূজা বিধি:

    1. আচমন ও শুদ্ধিকরণ: প্রথমে নিজে স্নান করে শুদ্ধ হন। আসনে বসে আচমন করুন। “ওঁ বিষ্ণু” বলে তিনবার জল পান।

    2. সংকল্প: হাতে জল নিয়ে বলুন, “অমুক গোত্র, অমুক নামা, অমুক তিথিতে মা কালীর কৃপা প্রাপ্তির জন্য এই পূজা করছি।”

    3. প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও ধ্যান: প্রতিমা বা ঘটে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করুন। তারপর ধ্যানমন্ত্র পড়ে ধ্যানে বসুন। ধ্যানমন্ত্র: “ধ্যায়েন্মহাকালহিতায়ৈ…”। দেবীর রূপ হৃদয়ে ধারণ করুন।

    4. ষোড়শোপচার পূজা (১৬ উপচারে):

      • আসন: ফুল নিবেদন।

      • স্বাগত ও পাদ্য: পা ধোয়ার জল।

      • অর্ঘ্য: সুগন্ধি জল।

      • আচমনীয়: পানীয় জল।

      • স্নান: পঞ্চগব্য, পঞ্চামৃত, গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করান।

      • বস্ত্র ও উপবীত: লাল বস্ত্র নিবেদন।

      • চন্দন, অক্ষত, পুষ্পমালা: লাল চন্দন, সিঁদুর, আতপ চাল ও জবা ফুল দিন। (কালীপূজায় সিঁদুর অপরিহার্য)

      • ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য: ধূপ দেখান, দীপ দেখান, ভোগ নিবেদন করুন। ভোগের সময় বলুন, “ওঁ ক্রীং কালিকায়ৈ নমঃ, ইদং নৈবেদ্যং স্বাহা”।

      • তাম্বুল, পুনরাচমন, পুষ্পাঞ্জলি: পান, সুপারি, ফুল দিন।

      • প্রদক্ষিণা ও প্রণাম: মানসিক প্রদক্ষিণ করে সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করুন।

    5. জপ: দক্ষিণাকালী মন্ত্র “ওঁ ক্রীং ক্রীং ক্রীং হ্রীং হ্রীং হুং হুং দক্ষিণকালিকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হ্রীং হ্রীং হুং হুং স্বাহা” জপ করুন। কমপক্ষে ১০৮ বার। মালা সাধারণত লাল চন্দনের বা রুদ্রাক্ষের হয়।

    6. হোম (ঐচ্ছিক): বাড়িতে না করে কেবল ঘৃত-তিলের আহুতি মানসিকভাবে দিতে পারেন।

    7. আরতি ও বিসর্জন: কর্পূর দিয়ে আরতি করুন। শেষে প্রার্থনা জানিয়ে জল ছেড়ে বিসর্জন দিন (ঘট পূজার ক্ষেত্রে)।

    নিয়মাবলী:

    • কালীপূজার শ্রেষ্ঠ সময় রাত্রি, বিশেষত অমাবস্যা, মঙ্গলবার ও শনিবার।

    • পূজা শেষ না হওয়া পর্যন্ত উপবাসী থেকে পূর্ণ নিষ্ঠায় করা উচিত।

    • লাল বস্ত্র পরিধান, লাল আসন, লাল ফুল ব্যবহারে দেবী প্রসন্ন হন।

    • পূজার স্থান পরিষ্কার ও নির্জন হওয়া ভালো।

    🔸 বীজমন্ত্র ও তাৎপর্য

    প্রধান বীজ: ‘ক্রীং’ (Kreem)। এটি কালী বীজ। ‘ক’ বাক্ বা জ্ঞান, ‘র’ অগ্নি বা বিনাশ, ‘ঈ’ শক্তি বা মহামায়া, ‘ং’ আনন্দ বা বিন্দুর প্রকাশ। একত্রে ‘ক্রীং’ হলেন মহাকালী, যিনি জ্ঞানাগ্নি দিয়ে অজ্ঞান বিনাশ করে আনন্দময়ী হন।

    তন্ত্রোক্ত পূর্ণ মন্ত্র: “ওঁ ক্রীং ক্রীং ক্রীং হ্রীং হ্রীং হুং হুং দক্ষিণকালিকে ক্রীং ক্রীং ক্রীং হ্রীং হ্রীং হুং হুং স্বাহা।”

    এখানে ‘হ্রীং’ মায়া বীজ, ‘হুং’ রক্ষা বীজ। ‘দক্ষিণকালিকে’ সম্বোধন করে দেবীর করুণাময়ী রূপকে ডাকা হয়। ‘স্বাহা’ অর্পণ বোঝায়।

    🔸 সাধনার গভীর স্তর: কুণ্ডলিনী ও কালী

    যোগশাস্ত্র মতে, কালী সাধনা মানেই কুণ্ডলিনী জাগরণের প্রক্রিয়া। মূলাধার চক্রে কুণ্ডলিনী সাড়ে তিন পাক ঘুমিয়ে আছেন। কালী সেই ঘুমন্ত শক্তিরই জাগ্রত রূপ। যখন সাধক নিরন্তর জপ ও ধ্যানের মাধ্যমে কুণ্ডলিনীকে জাগিয়ে তোলেন, তখন সেই শক্তি মেরুদণ্ড বেয়ে সহস্রারে ওঠে এবং শিবের (চৈতন্য) সঙ্গে মিলিত হয়। কালীর শিবের বুকে দাঁড়ানো এই পরম যোগেরই বহির্প্রকাশ। তাই কালী সাধনা ভয় নয়, বরং পরম আত্মবিশ্বাস ও জ্ঞান জাগায়। শ্মশান বলতে বোঝায় নিজের অহংকারকে ভস্ম করা।

    🔸 মা কালীর বাণী: উপসংহার

    কালী যেমন ভয়ংকরী, তেমনি তিনিই সবচেয়ে করুণাময়ী জননী। যে সন্তান একবার মা বলে ডাকে, তার আর ভয় থাকে না। মা কালী শেখান—জীবনে অহংকার, ভয়, মৃত্যুভয় যতক্ষণ, ততক্ষণ মানুষ প্রকৃত মুক্তি পায় না। তাই নিজের ভেতরের ‘রক্তবীজ’ (যে সমস্যা বারবার জন্ম নেয়) চিনে নাও, আর মায়ের মতো প্রজ্ঞার খড়্গ দিয়ে তার মূলচ্ছেদ করো। তবেই তুমি পাবে চিরন্তন নির্ভয়তা।

    জয় মা কালী! জয় মহাকালী! 🔱🌺

    দশমহাবিদ্যার প্রথমা দেবী কালী সম্পর্কে এক অত্যন্ত বিস্তারিত, পূর্ণাঙ্গ ও গভীর আলোচনা
    Joydev Sastri 30 May 2026
    Share this post
    Tags
    Archive
    🔮 Astrologer Joydev Sastri ☼ Renowned Vedic Astrologer ☼ Expert in Kundali & Palmistry ☼ Trusted Numerology & Tantra Specialist
    একটি মানচিত্র এম্বেড করার জন্য একটি ঠিকানা নির্দিষ্ট করতে হবে।
    আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: আমাদের অফিস সোমবার - শুক্রবার সকাল ৮:৩০ টা - বিকাল ৪:০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

            
    Get Direction

    ডিজাইন করেছেন: DW Tech | সুব্রত চক্রবর্তী

    আমাদের অনুসরণ করুন


    জ্যোতিষী জয়দেব শাস্ত্রী | 51 কালীবাড়ি | জয়দেব শাস্ত্রী

    আমাদের একটি বার্তা পাঠান

    joydevsastri9830@gmail.com

    • হোম
    • •
    • আমাদের সম্পর্কে
    • •
    • সেবা
    • •
    • পরিষেবার শর্তাবলী
    • •
    • গোপনীয়তা নীতি
    • •
    •  
    • ফোরাম

    আমরা কিভাবে সাহায্য করতে পারি?

    যেকোনো সময় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

    আমাদের ফোন করুন

    +৯১ ৯৮৩১৪৯৮৮৬০
    Copyright © ৫১ কালিবাড়ি 
    বাংলা | English (IN)
    Powered by Odoo - Create a free website

    We use cookies to provide you a better user experience on this website. Cookie Policy

    Only essentials I agree