অনেকে মনে করেন শুধুই নজর মানুষের জীবনকে অস্থির করে দেয়। কিন্তু তান্ত্রিক গ্রন্থ বলছে—
খাবারের মধ্য দিয়েও অন্যের জীবনে নেগেটিভ শক্তি প্রবেশ করানো যায়, এমনকি কারও সৌভাগ্য কেড়ে নেওয়াও সম্ভব।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হল—
ভুক্তভোগী প্রথম দিকে বোঝেই ওঠেন না, কখন, কীভাবে তাঁর জীবনের শুভ গ্রহদোষে ডুবে নেগেটিভ শক্তির আধিপত্য শুরু করেছে!
এ কারণেই প্রাচীন তান্ত্রিকেরা সতর্ক করে বলেছেন—
“অচেনা মানুষের দেওয়া খাবার হল অদৃশ্য তাবিজ— কখন যে তা সৌভাগ্য কেড়ে নেবে, কেউ বুঝতে পারবে না।”
১. সাদা মিষ্টি – শুভ শক্তি শোষণের তন্ত্রীয় অস্ত্র
শ্বেত রঙকে তন্ত্রে বলা হয়—
‘শুভ শক্তির ধারক, কিন্তু অপব্যবহারে তা সৌভাগ্য শোষণকারী।’
তাই কেউ যদি আপনাকে সাদা মিষ্টি এগিয়ে দেয়, বিশেষ করে যদি সে আপনাকে খুব একটা না চেনে, তবে সাবধান।
তান্ত্রিক মত বলছে—
সাদা মিষ্টির উপর বিশেষ মন্ত্র উচ্চারণ করলে সেটি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার জীবনের পজিটিভ শক্তি অন্যের হাতে চলে যেতে পারে।
একসময় আপনি বুঝতেই পারবেন না—
কেন হঠাৎ কাজ ব্যর্থ হচ্ছে, কেন অর্থ আটকে যাচ্ছে, কেন মন অস্থির লাগছে।
২. অচেনার দেওয়া প্রসাদ – পবিত্র রূপে গোপন অপশক্তির প্রবেশ
প্রসাদকে সবাই পবিত্র ভাবে, কিন্তু গুপ্ততন্ত্রের নিয়ম ভিন্ন।
প্রাচীন তান্ত্রিকদের মতে—
অপদেবতার আহ্বানে তৈরি প্রসাদ বাহ্যিকভাবে দেবভক্তির আড়ালে থাকে, কিন্তু তা স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করায় অশুভ কম্পন।
আপনার চারপাশে হঠাৎ অকারণে ঝামেলা বাড়তে শুরু করলে,
বারবার বাধা এলে,
মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হলে—
তা হতে পারে এমন কোনও “অশুভ প্রসাদের” প্রভাবে।
এ জন্যই বলা হয়েছে—
অচেনা বা সন্দেহজনক কারও কাছ থেকে কখনও প্রসাদ গ্রহণ করবেন না।
৩. এলাচ ও লবঙ্গ – ছোট মশলা, বড় বিপদ!
তন্ত্রে এলাচকে বলা হয় “সৌভাগ্যের দ্বাররক্ষক”
এবং লবঙ্গকে বলা হয় “কর্মফলের নিয়ন্ত্রক”।
ঠিক হাত হলে এই দুই উপাদান মানুষকে উন্নতির দিকে ঠেলে দেয়।
কিন্তু ভুল হাতে…
এই একই মশলা ব্যবহার করে নেগেটিভ শক্তি কারও শরীর-মনের ৮টি ‘সুকুমার চক্র’-এ প্রবেশ করানো যায়।
তাই যে মানুষকে আপনি অন্তর থেকে বিশ্বাস করেন না—
তার কাছ থেকে এলাচ-লবঙ্গ গ্রহণ করবেন না।
নইলে আপনি না বুঝেই—
সুযোগের দরজা বন্ধ হতে শুরু করবে,
কাজ আটকে যাবে,
সম্পর্কে সন্দেহ ও অশান্তি ঢুকে পড়বে।
৪. পান – শেষ পাতেই লুকিয়ে থাকে সর্বনাশের দ্বার
গুপ্ততন্ত্রে ‘পান’ একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম।
হালকা মন্ত্রোচ্চারণে এটি হয়ে ওঠে—
সৌভাগ্য ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যম।
তাই যাকে আপনি মন থেকে পুরোপুরি বিশ্বাস করেন না,
যার মুখে হাসি আছে কিন্তু মনে সন্দেহ,
তার দেওয়া পান গ্রহণ মানে নিজের জীবনের সুখ-শান্তি অন্যের হাতে তুলে দেওয়া।
অনেকেই লক্ষ্য করেন—
অচেনা কারও দেওয়া পান খাওয়ার পর
হঠাৎ জীবনে ভুল পথে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু হয়,
বাধা বাড়ে, স্বাস্থ্যে সমস্যা হয়—
এগুলি সবই নেগেটিভ কম্পনের লক্ষণ।
এগুলি বাস্তব ক্ষতির নির্দেশ নয়, বরং লোকবিশ্বাসে প্রচলিত প্রতীকী তান্ত্রিক প্রতিরক্ষা-নিয়ম:
১. লোহার আংটি বা চাবি সর্বদা সঙ্গে রাখুন
তন্ত্রমতে লোহা নেগেটিভ কম্পন প্রতিরোধে ঢাল তৈরি করে।
২. খাবার হাতে নেওয়ার আগে মনে মনে ৩ বার “ওঁ অঘোরায় নমঃ” উচ্চারণ
এই মন্ত্রকে তান্ত্রিকরা বলেন “কম্পন বিশুদ্ধির মন্ত্র”।
৩. খাবার বাম হাতে নেবেন না
বাম হাতকে তন্ত্রে “গ্রহণের দ্বার” বলা হয়— এতে অশুভ শক্তি সহজে প্রবেশ করে।
৪. বাড়ির দরজায় শুকনো নিমপাতা ঝুলিয়ে রাখুন
লোকবিশ্বাসে এটি নেগেটিভ শক্তি ভেদকারী প্রতীক।
৫. অচেনা কারও দেওয়া খাবার খানেই যদি ভুল করেন—
তা হলে বাড়ি ফিরে এক গ্লাস জল-এ এক চিমটি লবণ ফেলে স্নান করুন।
এতে সব নেতিবাচক শক্তি ধুয়ে যায় বলে বিশ্বাস।
“অপরিচিতের দেওয়া খাবার ভাগ্যের কপাট খুলতেও পারে, বন্ধও করে দিতে পারে।”
তাই সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন,
কারণ পৃথিবীতে সব শক্তি চোখে দেখা যায় না—
কিছু শক্তি শুধু অনুভব করা যায়,
আর কিছু শক্তি ভুল মানুষের দেওয়া খাবারের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে…
অনেকে মনে করেন শুধুই নজর মানুষের জীবনকে অস্থির করে দেয়। কিন্তু তান্ত্রিক গ্রন্থ বলছে—
খাবারের মধ্য দিয়েও অন্যের জীবনে নেগেটিভ শক্তি প্রবেশ করানো যায়, এমনকি কারও সৌভাগ্য কেড়ে নেওয়াও সম্ভব।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হল—
ভুক্তভোগী প্রথম দিকে বোঝেই ওঠেন না, কখন, কীভাবে তাঁর জীবনের শুভ গ্রহদোষে ডুবে নেগেটিভ শক্তির আধিপত্য শুরু করেছে!
এ কারণেই প্রাচীন তান্ত্রিকেরা সতর্ক করে বলেছেন—
“অচেনা মানুষের দেওয়া খাবার হল অদৃশ্য তাবিজ— কখন যে তা সৌভাগ্য কেড়ে নেবে, কেউ বুঝতে পারবে না।”
১. সাদা মিষ্টি – শুভ শক্তি শোষণের তন্ত্রীয় অস্ত্র
শ্বেত রঙকে তন্ত্রে বলা হয়—
‘শুভ শক্তির ধারক, কিন্তু অপব্যবহারে তা সৌভাগ্য শোষণকারী।’
তাই কেউ যদি আপনাকে সাদা মিষ্টি এগিয়ে দেয়, বিশেষ করে যদি সে আপনাকে খুব একটা না চেনে, তবে সাবধান।
তান্ত্রিক মত বলছে—
সাদা মিষ্টির উপর বিশেষ মন্ত্র উচ্চারণ করলে সেটি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আপনার জীবনের পজিটিভ শক্তি অন্যের হাতে চলে যেতে পারে।
একসময় আপনি বুঝতেই পারবেন না—
কেন হঠাৎ কাজ ব্যর্থ হচ্ছে, কেন অর্থ আটকে যাচ্ছে, কেন মন অস্থির লাগছে।
২. অচেনার দেওয়া প্রসাদ – পবিত্র রূপে গোপন অপশক্তির প্রবেশ
প্রসাদকে সবাই পবিত্র ভাবে, কিন্তু গুপ্ততন্ত্রের নিয়ম ভিন্ন।
প্রাচীন তান্ত্রিকদের মতে—
অপদেবতার আহ্বানে তৈরি প্রসাদ বাহ্যিকভাবে দেবভক্তির আড়ালে থাকে, কিন্তু তা স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করায় অশুভ কম্পন।
আপনার চারপাশে হঠাৎ অকারণে ঝামেলা বাড়তে শুরু করলে,
বারবার বাধা এলে,
মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হলে—
তা হতে পারে এমন কোনও “অশুভ প্রসাদের” প্রভাবে।
এ জন্যই বলা হয়েছে—
অচেনা বা সন্দেহজনক কারও কাছ থেকে কখনও প্রসাদ গ্রহণ করবেন না।
৩. এলাচ ও লবঙ্গ – ছোট মশলা, বড় বিপদ!
তন্ত্রে এলাচকে বলা হয় “সৌভাগ্যের দ্বাররক্ষক”
এবং লবঙ্গকে বলা হয় “কর্মফলের নিয়ন্ত্রক”।
ঠিক হাত হলে এই দুই উপাদান মানুষকে উন্নতির দিকে ঠেলে দেয়।
কিন্তু ভুল হাতে…
এই একই মশলা ব্যবহার করে নেগেটিভ শক্তি কারও শরীর-মনের ৮টি ‘সুকুমার চক্র’-এ প্রবেশ করানো যায়।
তাই যে মানুষকে আপনি অন্তর থেকে বিশ্বাস করেন না—
তার কাছ থেকে এলাচ-লবঙ্গ গ্রহণ করবেন না।
নইলে আপনি না বুঝেই—
সুযোগের দরজা বন্ধ হতে শুরু করবে,
কাজ আটকে যাবে,
সম্পর্কে সন্দেহ ও অশান্তি ঢুকে পড়বে।
৪. পান – শেষ পাতেই লুকিয়ে থাকে সর্বনাশের দ্বার
গুপ্ততন্ত্রে ‘পান’ একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মাধ্যম।
হালকা মন্ত্রোচ্চারণে এটি হয়ে ওঠে—
সৌভাগ্য ছিনিয়ে নেওয়ার মাধ্যম।
তাই যাকে আপনি মন থেকে পুরোপুরি বিশ্বাস করেন না,
যার মুখে হাসি আছে কিন্তু মনে সন্দেহ,
তার দেওয়া পান গ্রহণ মানে নিজের জীবনের সুখ-শান্তি অন্যের হাতে তুলে দেওয়া।
অনেকেই লক্ষ্য করেন—
অচেনা কারও দেওয়া পান খাওয়ার পর
হঠাৎ জীবনে ভুল পথে সিদ্ধান্ত নিতে শুরু হয়,
বাধা বাড়ে, স্বাস্থ্যে সমস্যা হয়—
এগুলি সবই নেগেটিভ কম্পনের লক্ষণ।
এগুলি বাস্তব ক্ষতির নির্দেশ নয়, বরং লোকবিশ্বাসে প্রচলিত প্রতীকী তান্ত্রিক প্রতিরক্ষা-নিয়ম:
১. লোহার আংটি বা চাবি সর্বদা সঙ্গে রাখুন
তন্ত্রমতে লোহা নেগেটিভ কম্পন প্রতিরোধে ঢাল তৈরি করে।
২. খাবার হাতে নেওয়ার আগে মনে মনে ৩ বার “ওঁ অঘোরায় নমঃ” উচ্চারণ
এই মন্ত্রকে তান্ত্রিকরা বলেন “কম্পন বিশুদ্ধির মন্ত্র”।
৩. খাবার বাম হাতে নেবেন না
বাম হাতকে তন্ত্রে “গ্রহণের দ্বার” বলা হয়— এতে অশুভ শক্তি সহজে প্রবেশ করে।
৪. বাড়ির দরজায় শুকনো নিমপাতা ঝুলিয়ে রাখুন
লোকবিশ্বাসে এটি নেগেটিভ শক্তি ভেদকারী প্রতীক।
৫. অচেনা কারও দেওয়া খাবার খানেই যদি ভুল করেন—
তা হলে বাড়ি ফিরে এক গ্লাস জল-এ এক চিমটি লবণ ফেলে স্নান করুন।
এতে সব নেতিবাচক শক্তি ধুয়ে যায় বলে বিশ্বাস।
“অপরিচিতের দেওয়া খাবার ভাগ্যের কপাট খুলতেও পারে, বন্ধও করে দিতে পারে।”
তাই সতর্ক থাকুন, সচেতন থাকুন,
কারণ পৃথিবীতে সব শক্তি চোখে দেখা যায় না—
কিছু শক্তি শুধু অনুভব করা যায়,
আর কিছু শক্তি ভুল মানুষের দেওয়া খাবারের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে…
